আশ্চর্য হলেও সত্যি, মাত্র ৫৬ লাখ মানুষের দেশ সিঙ্গাপুরে প্রতি দুইজনে একজনের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে। এই হার বাংলাদেশে মাত্র শূণ্য দশমিক ৭২ শতাংশ। অর্থাৎ, ১৮ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা ১ শতাংশেরও কম। অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১৪০ কোটি জনসংখ্যার বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের বিও একাউন্ট রয়েছে ১১ কোটির বেশী। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ। সার্কভূক্ত দেশ শ্রীলঙ্কার সোয়া দুই কোটি মানুষের বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্ট ৭ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার ৩ শতাংশের বেশী। থাইল্যান্ডে এই হার প্রায় ২৩ শতাংশ, ভিয়েতনামে ৫৩ শতাংশ।
বাজার সংশ্লিষ্ট-ব্যক্তিরা বলেছেন, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে অনিয়ম আর কারসাজি একটাই রন্ধ্রে রন্ধ্রে জড়িয়ে আছে যে, সাধারণ মানুষ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী হয় না। এ কারণে গত এক দশকের বেশী সময় ধরে দেশের শেয়ারবাজার উল্টো পথে হাঁটছে। বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত কমছে।
ইলেকট্রনিক শেয়ারধারণ ব্যবস্থা সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য বলছে, বর্তমানে সক্রিয় বিও অ্যাকাউন্ট ১৬ লাখ ৮৭ হাজার। নিজ নামে পৃথক অ্যাকাউন্ট থাকার পরও যৌথ অ্যাকাউন্ট আছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার। অথ্যাৎ, ব্যক্তি অ্যাকাউন্ট ১২ লাখের কিছু বেশী। এরমধ্যে অনেকের আবার বহু সংখ্যক অ্যাকাউন্ট আছে। এ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, বাস্তবে সক্রিয় বিনিয়োগকারী ৫ লাখের বেশী নয়।


